ফিরে দেখা ডিসেম্বর: ২য় পর্ব

এই পর্বে থাকছে ৭১’এর ৫ ডিসেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের উল্লেখযোগ্য ইতিহাস।

৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১

একাত্তরের এই দিনেও বাংলাদেশকে নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গন উত্তপ্ত ছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মূল লড়াইটা ছিল দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নয়ের মাঝে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল বাংলাদেশের পক্ষে আর যুক্তরাষ্ট্র ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। Read the rest of this entry

ফিরে দেখা ডিসেম্বর: ১ম পর্ব

আজ ১লা ডিসেম্বর। বিজয়ের মাস, গৌরবের মাস ডিসেম্বরের শুরু। ১৯৭১ সালের এই মাসেই দীর্ঘ ৯ মাস পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর সূচিত হয় মহান বিজয়ের গৌরবময় অধ্যায়, আসে আমাদের কাঙ্খিত বিজয়।

পাকিস্তানী শাসক শ্রেণী থেকে মুক্ত হওয়া এই মহান বিজয়ের মাস একই সাথে স্বজন হারানো শোকার্ত মাস। বাংলার শহীদ বীর সন্তানদের স্মরণে এই মাস নানান কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হবে। ৭১’এর ১লা ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো সংক্ষেপে উল্লেখ করে সবার মাঝে তা তুলে ধরার চেষ্টা করবো। Read the rest of this entry

চাঁদনি রাতে আমরা ক’জনা

ঈদের ২য় দিন রোববার ছিল বন্ধু রানার ছোটভাই মুন্নার জন্মদিন। ছোট ভাইয়ের জন্মদিন এবং ঈদ উপলক্ষ্যে ঈদের দিনই দাওয়াত পাই প্রিয় এই বন্ধুটির কাছ থেকে। দাওয়াত পেয়ে ঈদের ২য় দিন রানার বাসায় গিয়ে মুন্নার জন্মদিন উপলক্ষ্যে ফটোগ্রাফি এবং ভোজন পর্ব শেষে কথা উঠল দূরে কোথাও হতে ঘুরে আসার জন্য। আমাদের সিনিয়র, জুনিয়র এবং বন্ধুদের যে গ্রুপটি আছে তার প্রত্যেকে পরস্পর বন্ধুর মতো এবং আন্তরিক। দুই ঈদের ছুটিতে দূরে কোথাও থেকে ঘুরে আসার ব্যাপারটা আমাদের রেওয়াজে পরিণত হয়েছে অনেকটা। সে হিসেবে এই ঈদুল আযহার ছুটিতে দূরের কোনো জায়গা ভ্রমণের ব্যাপারে যখন কথা উঠল তখন কয়েকজনের সমস্যা দেখা গেল। Read the rest of this entry

মরুর বুকে বায়ান্ন দিন: ৩য় পর্ব

৩ জুন, শুক্রুবার দিন। এর আগের দিন ঠিক করা হলো আমরা আবুধাবীর উপশহর আল-আইনে যাচ্ছি। ভ্রমণের স্থান হিসেবে নির্ধারিত হলো আল-আইনে অবস্থিত আরব আমিরাতের সর্বোর্চ পর্বত জাবালে হাফিত (হাফিত মাউন্টেন) এবং আল-আইন চিড়িয়াখানা। আমরা আল-আইনে যাচ্ছি জেনে মামার পরিচিতজন ইমরান সাহেব উনার বাসায় রাতের খাবারের দাওয়াত দিলেন। তাই আল-আইন থেকে আবুধাবীতে ফেরার পথে ইমরান সাহেবের বাসায় যাত্রা বিরতি করে রাতের খাবার সাড়ার কথা ঠিক হলো। শুক্রুবার দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে রেডি হতে গিয়ে দেখি মামা ফরমাল ড্রেস-আপ করছে। তখন মামাকে বললাম- এসব পড়ে জাবালে হাফিতে কিভাবে উঠবেন? Read the rest of this entry

মরুর বুকে বায়ান্ন দিন: ২য় পর্ব

পরের দিন সকালে মামা যখন ঘুম থেকে ডেকে দিলেন ঘড়িতে তখন সাড়ে ৮টা। ঘুম থেকে উঠার আগেই বাবা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চলে গেলেন। আর মামাও প্রায় রেডি বের হওয়ার জন্য। বিছানা থেকে উঠে গোসল সেড়ে রেডি হয়ে গেলাম মামার সাথে বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার জন্য। বাবা যখন দেশে থাকেন মামা তখন বাবার পুরো ব্যবসাটা দেখাশোনা করেন। আর বাবা যখন আরব আমিরাতে থাকেন তখন শালা-দুলাভাই মিলে ব্যবসাটা পরিচালনা করেন। এদিকে মামা-ভাগ্নে একসাথে বের হয়ে গেলাম পাশের একটা বাঙালি রেষ্টুরেন্টে সকালের নাস্তাটা সাড়ার জন্য। মামারা দুপুর আর রাতের খাবারটা বাসায় সাড়লেও সকালের নাস্তাটা রেষ্টুরেন্টে সাড়েন। Read the rest of this entry

মরুর বুকে বায়ান্ন দিন: ১ম পর্ব

সবে মাত্র এসএসসি পরীক্ষা শেষ হলো। হাতে প্রচুর সময়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৪ দিন পর আতাউর রহমান স্যার আসলেন আমাকে দেখতে। আতাউর রহমান স্যার আমাকে খুব স্নেহ করেন এখনো। তার পুত্রতুল্য মনে করেন। স্যার এসে আমার সাথে বেশ খানিক্ষণ গল্প করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন এই লম্বা সময়ে কী করার প্ল্যান করেছি। সোজা সাপ্টা উত্তরে বললাম, “কিছু করার প্ল্যান করিনি”। তখন স্যার বললেন, “এককাজ করো, আরব আমিরাত থেকে ঘুরে আস, যেহেতু সেখানে তোমার বাবার ব্যবসা আছে”। স্যারের বলা এই প্ল্যানটির কথা শুনে আমি তো ভেজায় খুশি। আরব আমিরাতে ভ্রমণে যাওয়ার ব্যাপারটা মাকে বললাম। মা রাজী হয়ে গেলেন এবং সেদিনই বাবাকে ফোন করে বিষয়টি জানালেন। Read the rest of this entry

আইনগত সহায়তা প্রদান কী এবং কেন?

“সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।” বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদে এমনটিই বলা আছে। কিন্তু আমাদের দেশের দরিদ্র বিচারপ্রার্থীরা যখন নিজেদের দেওয়ানী অধিকার রক্ষার্থে অর্থের অভাবে আইনগত সহায়তা পান না অথবা আইনজীবি নিয়োগ দিতে পারেন না কিংবা আদালতে যাওয়া-আসার খরচ পর্যন্ত বহন করতে পারেন না তথা আইনগত সহায়তা পান না তখন মৌলিক অধিকারের এই সাংবিধানিক অঙ্গীকার অর্থহীন বলে মনে হয়। Read the rest of this entry